info@janatamcs.com (880) 19129 61611
জনতা পিকনিক কর্নার

সমিতির নিজস্ব ১.৫ একর জায়গার উপর জনতা গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হয়েছে ১,০০,০০,০০০ টাকা। উক্ত প্রকল্পে শতাধিক কর্মচারী কর্মরত। সমিতির উৎপাদিত পণ্য দেশে বিদেশ রপ্তানি করে সমিতি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে।

দেশের প্রধান তিনটি রপ্তানিমুখী খাতের মধ্যে পোশাক শিল্প অন্যতম। বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ হলেও পোশাক শিল্পে বেশ খ্যাতি অর্জন করেছে বহির্বিশ্বে। বেকারত্ব হ্রাস, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নতিতে গার্মেন্টস সেক্টর পালন করছে গুরুত্বর্পূণ ভূমিকা।

বাংলাদেশের এ শিল্পের মাধ্যমে আমাদের দেশ বিশ্ব দরবারে নতুন পরিচিতি ও সুনাম অর্জন করছে। সামগ্রিক অর্থনীতির উন্নয়ন ও পোশাক শিল্পের বিপ্লবের একজন অংশীদার হিসেবে উঠে আসবে খুলনা ডুমুরিয়া উপজেলার থুকড়া বাজারের জনতা গার্মেন্টস-এর নাম।

সেখানে জীবিকা নির্বাহ করছে স্থানীয় অনেক মানুষ। যা পরিবর্তন এনে দিয়েছে এখানকার অর্থনীতি ও জীবনমানে। সুলভ মূল্যে উন্নত মানের পোশাকের সরবরাহ থাকায় প্রতিদিন এখানে ভিড় করছে দেশের বিভিন্ন কাপড় ব্যবসায়ীরা। এছাড়াও খুলনার আভিজাত বিপনীগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে এখানকার উৎপাদিত পণ্য।

স্থানীয় পোশাক শ্রমিক দিয়ে কম উৎপাদন খরচে সময়মতো ব্যবসায়ীদের পণ্য ডেলিভারি দেয়া সম্ভব হচ্ছে। আর এসব কারণে ব্যবসায়িক খ্যাতি বাড়ছে জনতা ফ্যাশনের।


জনতা ফ্যাশনে তৈরি হচ্ছে জিন্স প্যান্ট, পায়জামা-পাঞ্জাবি, সালোয়ার-কামিজ, টি-শার্ট, শার্ট, ফতুয়া, বোরখা ও শীতবস্ত্র। দেশি-বিদেশি নতুন কাপড়ের পাশাপাশি বড় বড় গার্মেন্টস কারখানার ঝুট থেকেও তৈরি হচ্ছে এখানকার পোশাক।


জনতা ফ্যাশনের দৌলতপুরে ও থাকড়া বাজারে দুইটি নিজস্ব শো-রুম আছে। দেশের অভ্যন্তরীণ পাইকারী ও খুচরা বিক্রয়ের মাধ্যমে পোশাকের চাহিদা মেটানো হচ্ছে এখান থেকে।এখানকার কাপড়ের মান ভালো হাওয়ায় দেশি কাপড়ের প্রচুর চাহিদা তৈরি হয়েছে।